কলকাতা প্রতিনিধি: অভিনয়ে কে কতটা এগিয়ে তার
চুলচেরা বিশ্লেষণ করবেন সমালোচকরা। কিন্তু অভিনেত্রীরা প্রায় সবাই পারিশ্রমিকের নিরিখে পৌঁছে গিয়েছেন
কোটির ঘরে। তবে বিদ্যা বালান যতই ফাটিয়ে অভিনয় করে একের পর এক পুরস্কার জিতে নিলেও তিনি পারিশ্রমিকের
হিসেবে অন্যদের থেকে অনেকটাই পিছনে। সবার ওপরে এখন অবস্থান ‘দোস্তানা’, ‘ফ্যাশন’ ও ‘জঞ্জির’ ছবির হিট নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। ‘দোস্তানা’ আর ‘ফ্যাশন’ হিট করার পর থেকে প্রিয়াঙ্কা এক একটি ছবির জন্য ৫ কোটি রুপি
নিতেন। কিন্তু ‘জঞ্জির’-এ অভিনয়ের জন্য একলাফে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে করেছেন ৯ কোটি রুপি। সদ্য মুক্তি পাওয়া
‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’ ছবিতে একটি আইটেম সংয়ের সঙ্গে নাচার জন্যই নিয়েছেন ৩ কোটি রুপি। প্রিয়াঙ্কার পরে ধনী
নায়িকার তালিকায় কারিনা কাপুর। বলিউডের শক্তিশালী এই অভিনেত্রী মধুর ভান্ডারকারের ‘হিরোইন’ ছবির জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন ৮ কোটি রুপি। আর একটি লেমনেড ব্র্যান্ডের
এনডোর্সমেন্ট ফি নিয়েছেন ৫ কোটি রুপি। বচ্চন বধূ ঐশ্বর্য রাই ১০টা হিট ছবির নায়িকা হলেও তিনি এখনও
তার পারিশ্রমিক ৬ কোটির ওপরে তুলতে পারেননি। রজনীকান্তের বিপরীতে ‘রোবোট’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ওই অর্থ নিয়েছিলেন। গত দু’বছরে অবশ্য ঐশ্বর্য কোন ছবিতে হাত দেননি সন্তানের জন্য। তবে চুটিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যের বিজ্ঞাপন
করে চলেছেন। সেখান থেকে তার রোজগার ৪ কোটির কাছাকাছি। অন্যদিকে ১৩টি হিট ছবির নায়িকা কাটরিনা কাইফ
‘জওয়ানি’ ছবি থেকে হৃদয়ের রানীর তকমা পেলেও তিনি ৪
কোটির ওপরে উঠতে পারেননি। এনডোর্সমেন্ট থেকেও তার আয় ৪ কোটি রুপির বেশি। আর বলিউডে অন্য সব
নায়িকার চেয়ে বেশি আয়কর দেন কাটরিনাই। তবে ৩ কোটি পারিশ্রমিকের তালিকায় এই মুহূর্তে অবস্থান তিনজন
নায়িকার। এরা হলেন বিদ্যা বালান, দীপিকা পাড়–কোন ও বিপাশা বসু। ‘ইশকিয়া’, ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ বা ‘কাহানি’র জন্য বিদ্যা বালান ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিলেও তিনি এখন থেকে তার পারিশ্রমিক
৭ কোটি করবেন বলে জানা গেছে। বিদ্যা জানিয়েছেন, কেউ যদি মনে
করেন আমার ৭ কোটি রুপি পাওয়া উচিত। তবে আমার নিতে আপত্তি নেই। মাত্র ২০০৭ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘ওম শান্তি’ ছবি করে যার বলিউডে পদার্পণ সেই দীপিকা এখনও
৩ কোটিতেই আটকে রয়েছেন। তবে তার হিট ছবির সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে তিনি যে আর ৩-এ আটকে থাকবেন না সেটা
আগাম বলেই দিয়েছেন বলিউডের বিশেষজ্ঞরা। এদিকে ৫০টি ছবির নায়িকা বঙ্গতনয়া বিপাশা বসু তার পারিশ্রমিক
৩ কোটিতেই রেখে দিয়েছেন। অন্যদিকে সোনম কাপুর, আনুশকা শর্মা বা সোনাক্ষি সিনহার মতো নায়িকারা অভিনয়ের বিচারে দ্রুত এগিয়ে গেলেও
তাদের পারিশ্রমিক এখনও দেড় কোটি রুপিতেই আটকে রয়েছে। তবে সোনাক্ষি সিনহার মধ্যে আগামী দিনে ‘দোস্তানা’,
‘ফ্যাশন’ বলিউডে ধনী নায়িকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন
অনেকেই।Sunday, May 26, 2013
সবার ওপরে প্রিয়াঙ্কা
কলকাতা প্রতিনিধি: অভিনয়ে কে কতটা এগিয়ে তার
চুলচেরা বিশ্লেষণ করবেন সমালোচকরা। কিন্তু অভিনেত্রীরা প্রায় সবাই পারিশ্রমিকের নিরিখে পৌঁছে গিয়েছেন
কোটির ঘরে। তবে বিদ্যা বালান যতই ফাটিয়ে অভিনয় করে একের পর এক পুরস্কার জিতে নিলেও তিনি পারিশ্রমিকের
হিসেবে অন্যদের থেকে অনেকটাই পিছনে। সবার ওপরে এখন অবস্থান ‘দোস্তানা’, ‘ফ্যাশন’ ও ‘জঞ্জির’ ছবির হিট নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। ‘দোস্তানা’ আর ‘ফ্যাশন’ হিট করার পর থেকে প্রিয়াঙ্কা এক একটি ছবির জন্য ৫ কোটি রুপি
নিতেন। কিন্তু ‘জঞ্জির’-এ অভিনয়ের জন্য একলাফে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে করেছেন ৯ কোটি রুপি। সদ্য মুক্তি পাওয়া
‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’ ছবিতে একটি আইটেম সংয়ের সঙ্গে নাচার জন্যই নিয়েছেন ৩ কোটি রুপি। প্রিয়াঙ্কার পরে ধনী
নায়িকার তালিকায় কারিনা কাপুর। বলিউডের শক্তিশালী এই অভিনেত্রী মধুর ভান্ডারকারের ‘হিরোইন’ ছবির জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন ৮ কোটি রুপি। আর একটি লেমনেড ব্র্যান্ডের
এনডোর্সমেন্ট ফি নিয়েছেন ৫ কোটি রুপি। বচ্চন বধূ ঐশ্বর্য রাই ১০টা হিট ছবির নায়িকা হলেও তিনি এখনও
তার পারিশ্রমিক ৬ কোটির ওপরে তুলতে পারেননি। রজনীকান্তের বিপরীতে ‘রোবোট’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ওই অর্থ নিয়েছিলেন। গত দু’বছরে অবশ্য ঐশ্বর্য কোন ছবিতে হাত দেননি সন্তানের জন্য। তবে চুটিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যের বিজ্ঞাপন
করে চলেছেন। সেখান থেকে তার রোজগার ৪ কোটির কাছাকাছি। অন্যদিকে ১৩টি হিট ছবির নায়িকা কাটরিনা কাইফ
‘জওয়ানি’ ছবি থেকে হৃদয়ের রানীর তকমা পেলেও তিনি ৪
কোটির ওপরে উঠতে পারেননি। এনডোর্সমেন্ট থেকেও তার আয় ৪ কোটি রুপির বেশি। আর বলিউডে অন্য সব
নায়িকার চেয়ে বেশি আয়কর দেন কাটরিনাই। তবে ৩ কোটি পারিশ্রমিকের তালিকায় এই মুহূর্তে অবস্থান তিনজন
নায়িকার। এরা হলেন বিদ্যা বালান, দীপিকা পাড়–কোন ও বিপাশা বসু। ‘ইশকিয়া’, ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ বা ‘কাহানি’র জন্য বিদ্যা বালান ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিলেও তিনি এখন থেকে তার পারিশ্রমিক
৭ কোটি করবেন বলে জানা গেছে। বিদ্যা জানিয়েছেন, কেউ যদি মনে
করেন আমার ৭ কোটি রুপি পাওয়া উচিত। তবে আমার নিতে আপত্তি নেই। মাত্র ২০০৭ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘ওম শান্তি’ ছবি করে যার বলিউডে পদার্পণ সেই দীপিকা এখনও
৩ কোটিতেই আটকে রয়েছেন। তবে তার হিট ছবির সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে তিনি যে আর ৩-এ আটকে থাকবেন না সেটা
আগাম বলেই দিয়েছেন বলিউডের বিশেষজ্ঞরা। এদিকে ৫০টি ছবির নায়িকা বঙ্গতনয়া বিপাশা বসু তার পারিশ্রমিক
৩ কোটিতেই রেখে দিয়েছেন। অন্যদিকে সোনম কাপুর, আনুশকা শর্মা বা সোনাক্ষি সিনহার মতো নায়িকারা অভিনয়ের বিচারে দ্রুত এগিয়ে গেলেও
তাদের পারিশ্রমিক এখনও দেড় কোটি রুপিতেই আটকে রয়েছে। তবে সোনাক্ষি সিনহার মধ্যে আগামী দিনে ‘দোস্তানা’,
‘ফ্যাশন’ বলিউডে ধনী নায়িকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন
অনেকেই।Wednesday, May 15, 2013
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে করণীয়
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কী করা উচিত—এ ব্যাপারে একটি তথ্য বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। পাঠকের জন্য সেটি
তুলে ধরা হলো:ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা, খরা, ভূমিধস, টর্নেডো, শৈত্যপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবছর ব্যাপক সম্পদ ও প্রাণহানি ঘটে। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে সম্পদ ও প্রাণহানির পরিমাণ ব্যাপক। এ বিষয়ে জনগণকে, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের অধিবাসীদের সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে জনগণের করণীয় বিষয়গুলো জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ও ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে তাত্পর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আগে করণীয়
• দুর্যোগের সময় কোন এলাকার লোক কোন আশ্রয়ে যাবে, গবাদিপশু কোথায় থাকবে, তা আগে ঠিক করে রাখুন এবং জায়গা চিনিয়ে রাখুন।
• বাড়িতে, গ্রামে, রাস্তায় ও বাঁধের ওপর গাছ লাগান।
• যথাসম্ভব উঁচু স্থানে শক্ত করে ঘর তৈরি করুন। পাকা ভিত্তির ওপর লোহার বা কাঠের পিলার এবং ফ্রেম দিয়ে তার ওপর ছাউনি দিন। ছাউনিতে টিন ব্যবহার না করা ভালো। কারণ ঝড়ের সময় টিন উড়ে মানুষ ও গবাদিপশু আহত করতে পারে। তবে শূন্য দশমিক ৫ মিলিমিটার পুরুত্ববিশিষ্ট টিন ও জেহুক ব্যবহার করা যেতে পারে।
• উঁচু জায়গায় টিউবওয়েল স্থাপন করুন, যাতে জলোচ্ছ্বাসের লোনা ও ময়লা পানি টিউবওয়েলে ঢুকতে না পারে।
• জেলে নৌকা, লঞ্চ ও ট্রলারে রেডিও রাখুন। সকাল, দুপুর ও বিকেলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস শোনার অভ্যাস করুন।
• সম্ভব হলে বাড়িতে কিছু প্রাথমিক চিকিত্সার সরঞ্জাম (ব্যান্ডেজ, ডেটল প্রভৃতি) রাখুন।
• জলোচ্ছ্বাসের পানির প্রকোপ থেকে রক্ষার নানারকম শস্যের বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিন।
• বাড়িতে ও রাস্তায় নারকেল, কলাগাছ, বাঁশ, তাল, কড়ই ও অন্যান্য শক্ত গাছপালা লাগান। এসব গাছ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বেগ কমিয়ে দেয়। ফলে মানুষ দুর্যোগের কবল থেকে বাঁচতে পারে।
• নারী-পুরুষ, ছেলেমেয়ে প্রত্যেকেরই সাঁতার শেখা উচিত।
• ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে বা অন্য আশ্রয়ে যাওয়ার সময় কী কী জরুরি জিনিস সঙ্গে নেওয়া যাবে এবং কী কী জিনিস মাটিতে পুঁতে রাখা হবে, তা ঠিক করে সেই অনুসারে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
• আর্থিক সামর্থ্য থাকলে ঘরের মধ্যে একটি পাকা গর্ত করুন। জলোচ্ছ্বাসের আগে এই পাকা গর্তের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখতে পারবেন।
• ডায়রিয়া মহামারির প্রতি সচেতন দৃষ্টি রাখতে হবে। শিশুদের ডায়রিয়া হলে কীভাবে খাবার স্যালাইন তৈরি করতে হবে, সে বিষয়ে পরিবারের সবাইকে প্রশিক্ষণ দেন।
• ঘূর্ণিঝড়ের মাসগুলোতে বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুটজাতীয় শুকনো খাবার রাখা ভালো।
• নোংরা পানি কীভাবে ফিটকারি বা ফিল্টার দ্বারা খাবার ও ব্যবহারের উপযোগী করা যায়, সে বিষয়ে নারীদের এবং আপনার পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেন।
• ঘূর্ণিঝড়ের পরে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করুন। বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ। মাটির বড় হাঁড়িতে বা ড্রামে পানি রেখে তার মুখ ভালোভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে, যাতে পোকা-মাকড়, ময়লা-আবর্জনা ঢুকতে না পারে।
পূর্বাভাস পাওয়ার পর দুর্যোগকালে করণীয়
• আপনার ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করুন। আরও মজবুত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন: মাটিতে খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধা।
• সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।
• বিপদ সংকেত পাওয়া মাত্র বাড়ির নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের আগে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পোঁছে দিতে প্রস্তুত হোন এবং অপসারণ নির্দেশের পরে সময় নষ্ট না করে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যান।
• বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় আগুন নিভিয়ে যাবেন।
• আপনার অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী যেমন—ডাল, চাল, দেশলাই, শুকনো কাঠ, পানি ফিটকিরি, চিনি, নিয়মিত ব্যবহূত ওষুধ, বইপত্র, ব্যান্ডেজ, তুলা, ওরস্যালাইন ইত্যাদি পানি নিরোধন পলিথিন ব্যাগে ভরে গর্তে রেখে ঢাকনা দিয়ে পুঁতে রাখুন।
• আপনার গরু-ছাগল নিকটস্থ উঁচু বাঁধে অথবা উঁচু স্থানে রাখুন। কোনো অবস্থায়ই গোয়ালঘরে বেঁধে রাখবেন না। কোনো উঁচু জায়গা না থাকলে ছেড়ে দিন, বাঁচার চেষ্টা করতে দিন।
• শক্ত গাছের সঙ্গে কয়েক গোছা লম্বা মোটা শক্ত রশি বেঁধে রাখুন। রশি ধরে অথবা রশির সঙ্গে নিজেকে বেঁধে রাখুন, যাতে প্রবল ঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নিতে না পারে।
• আশ্রয় নেওয়ার জন্য নির্ধারিত বাড়ির আশপাশে গাছের ডালপালা আসন্ন ঝড়ের আগেই কেটে রাখুন, যাতে ঝড়ে গাছগুলো ভেঙে বা উপড়ে না যায়।
• রেডিওতে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনতে থাকুন।
• দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখুন অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখুন।
• টিউবওয়েলের মাথা খুলে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং টিউবওয়েলের খোলা মুখ পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে আটকে রাখতে হবে, যাতে ময়লা বা লবণাক্ত পানি টিউবওয়েলের মধ্যে প্রবেশ না করতে পারে।
দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয়
• রাস্তাঘাটের ওপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন, যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।
• আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।
• অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।
• ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে, সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।
• ত্রাণের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সচেষ্ট হোন। ত্রাণের পরিবর্তে কাজ করুন। কাজের সুযোগ সৃষ্টি করুন। রিলিফ যেন মানুষকে কর্মবিমুখ না করে কাজে উত্সাহী করে, সেভাবে রিলিফ বিতরণ করতে হবে।
• দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকাজ শুরু করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছে দড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাঁকে উদ্ধারকাজে সাহায্য করা যায়।
• ঝড় একটু কমলেই ঘর থেকে বের হবেন না। পরে আরও প্রবল বেগে অন্যদিক থেকে ঝড় আসার আশঙ্কা বেশি থাকে।
• পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পান করুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
• নারী, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ত্রাণ বণ্টন (আলাদা লাইনে) করুন।
• দ্রুত উত্পাদনশীল ধান ও শাক-সবজির জন্য জমি প্রস্তুত করুন, বীজ সংগ্রহ করুন এবং কৃষিকাজ শুরু করুন, যাতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ফসল ঘরে আসে।
Tuesday, May 14, 2013
সামাজিক যোগাযোগ আপনার ফেসবুক আপনার নিয়ন্ত্রণে
এখন অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করছেন। কিন্তু
কখনো কখনো এই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে
পড়তে হয় বিব্রতকর অবস্থায়। ধরুন, কেউ একজন বিব্রতকর একটি ছবি ট্যাগ করেছেন আপনাকে। ফেসবুকের
টাইমলাইনে চলে গেল বিব্রতকর ছবিটি। হলো শেয়ার। অনেকে
নানা মন্তব্য করতে থাকেন। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন কেউ কেউ।আবার এমন অনেক ছবি বা স্ট্যাটাস থাকে যা অনেকে সবাইকে দেখাতে চান না।আবার কোনো কারণে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড কেউ জেনে ফেলল। নিজের ফেসবুকের গোপনীয়তা (প্রাইভেসি) রক্ষার দায়িত্ব কিন্তু আপনার। আর তা আপনি করতেও পারেন।আপনার ফেসবুক যেন থাকে আপনার নিয়ন্ত্রণে।
ফেসবুকের নীতিমালা না জানা বা নীতিমালা না পড়েই অনেকে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে তা ব্যবহার করে। এটা জানতে হবে যে ফেসবুকের সদস্য হতে বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৩ বছর।নীতিমালায় লেখা আছে কীভাবে আপনার প্রাইভেসি রক্ষা করবেন বা কোনো কারণে হয়রানির শিকার হলে আপনার করণীয় কি।
অনেক সময় দেখা যায়, ব্যবহারকারীর সব তথ্য (প্রোফাইল ইনফো) তাঁর বন্ধু (ফেসবুক ফ্রেন্ড) না হয়েও সবাই দেখতে পায়। এসব সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই। তবে এর জন্য ব্যবহারকারীকে ফেসবুকে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বিভিন্ন ধরনের গোপনীয়তা রক্ষার সুবিধা রয়েছে। চাইলে ফেসবুকের বন্ধুদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে আলাদা তালিকায় রাখতে পারেন। যেমন: পরিবার, স্কুল, কলেজ বা অফিসের বন্ধুদের জন্য আলাদা আলাদা তালিকা করতে পারেন। এতে করে স্ট্যাটাস কিংবা ছবি শুধু যাঁদের দেখাতে চান, তাঁদেরই দেখাতে পারবেন। কাজটি করতে চাইলে ফেসবুকের Settings থেকে Privacy Settings-এ গিয়ে আপনি নির্ধারিত করে দিতে পারেন ছবিটি সবাই দেখবে (প্রাইভেট) নাকি বিশেষ কয়েকজন দেখবে। Settings-এর পাশে থাকা Privacy Shortcuts থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করে নিতে পারেন। যদি চান আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ কিছু ট্যাগ করলেও তা আপনার টাইমলাইনে দেখা যাবে না, তাহলে Privacy Settings-এ গিয়ে Timeline and Tagging Settings থেকে প্রয়োজনীয় অপশনগুলো বন্ধ করে দিন। এখান থেকে টাইমলাইনে থাকা ছবি কে দেখতে পারবেন, কে মন্তব্য করতে পারবেন—এসবও ঠিক করে দিতে পারবেন।
ফেসবুকের পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করাই ভালো। পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি
Subscribe to:
Posts (Atom)