টাইম মেশিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন- এমনটি
দাবি করেছেন ২৭ বছর বয়সী ইরানি হাতুড়ে বিজ্ঞানী আলী রাজেঘী। এই মেশিন দিয়ে নাকি ভবিষ্যৎ দেখা যাবে। এই টাইম মেশিন
বাস্তবে কোন ঘটনা ঘটার আট বছর আগে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে বলে তিনি দাবি করেছেন। আলীর বিশ্বাস তার এই উদ্ভাবন ব্যবহার করে
ইরান সরকার সায়েন্স ফিকশন
সিনেমা ব্যাক টু দ্য ফিউচারের ঘটনা বাস্তবে ঘটাতে সক্ষম হবে। মাইকেল জে ফক্স অভিনীত ব্যাক টু দ্য ফিউচার সিনেমায় দেখা
যায় মার্টি মিকফ্লাই নামক এক
যুবক দ্রুতগামী গাড়িতে করে অতীত ও ভবিষ্যতে ভ্রমণ করছে। পাগলাটে এই বিজ্ঞানি
যন্ত্রের নাম দিয়েছেন ‘দ্য আরিয়ায়েক টাইম
ট্রাভেলিং মেশিন’। ইরানের সরকারী
সংস্থা কৌশলী উদ্ভাবন কেন্দ্রে (Centre for Strategic Invention) আলী তার এই যন্ত্রের নিবন্ধনও করেছে। যন্ত্রটি সক্রিয় করতে ব্যক্তির আঙুলের ছাপ প্রয়োজন হয় আর বাকি কাজটা
যন্ত্রটি কতগুলো জটিল গাণিতিক হিসাব নিকাশের উপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করে। উদ্ভাবক তার এই যন্ত্রটির সফলতার ব্যাপারে চরম আশাবাদী, তার মতে এটি ৯৮ ভাগ নির্ভুল ফলাফল দেয়। সে আরও বলে, এটা আপনাকে
ভবিষ্যতে নিয়ে যাবে না বরং ভবিষ্যতকে আপনার কাছে নিয়ে আসবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্সকে আলী বলেছেন,
তার আবিষ্কৃত এই যন্ত্র সহজেই কম্পিউটার এর বাক্সে এর মধ্যে বহন করা যাবে এবং ব্যবহারকারী তার জীবনের আগামী ৫ থেকে ৮ বছরের
ঘটনাসমূহের বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী জানতে পারবে। শুধু এই যন্ত্রই নয়, এর আগে আরও ১৭৯টি আবিষ্কারের পেটেন্ট করেছে আলী। এ রকম একটি যন্ত্র তৈরি করতে পারায় আলী নিঃসন্দেহে আনন্দিত। তার বর্ণনা অনুযায়ী এই যন্ত্র আবিষ্কার
করার চেষ্টারত সময়গুলো
খুব বেশি আনন্দঘন ছিল না বরং পরিবার ও বন্ধুদের কাছ থেকে নেতিবাচক ব্যবহারই পেয়েছেন। এ রকম একটি যন্ত্র তৈরি করে সে
সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে খেলার চেষ্টা করছে বলে পরিবারের লোকজন ও বন্ধু-বান্ধব তাকে তিরস্কার করেছে। তারপরও আবিষ্কারকের দৃষ্টিভঙ্গি সূদুরপ্রসারী! তিনি মনে করেন এই আবিস্কার ইরানের শত্রু দেশগুলোর উপর প্রাধান্য
বিস্তার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সে আরও বলেন, আমেরিকানরা লাখ লাখ ডলার খরচ করে টাইম
মেশিন বানানোর চেষ্টা
করছে, সেখানে আমি নিতান্ত কম খরচে টাইম মেশিন
বানিয়ে ফেলেছি। তার পরবর্তী
পরিকল্পনা হচ্ছে এই যন্ত্রের ব্যাপক উৎপাদনে যাওয়া। চাইনিজরা তার
আবিষ্কারকে নকল যেন না করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য টাইম মেশিনের নকশা এখনও সে প্রকাশ করেনি। তার ভাষায়, এ পর্যায়ে আমরা কোন প্রোটোটাইপ এখনও তৈরি করছি না তার
কারণ হলো চাইনিজরা এই আইডিয়া নকল করে রাতারাতি লাখ লাখ টাইম মেশিন তৈরি করবে।Friday, April 12, 2013
ইরানি বিজ্ঞানীর টাইম মেশিন আবিষ্কার
টাইম মেশিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন- এমনটি
দাবি করেছেন ২৭ বছর বয়সী ইরানি হাতুড়ে বিজ্ঞানী আলী রাজেঘী। এই মেশিন দিয়ে নাকি ভবিষ্যৎ দেখা যাবে। এই টাইম মেশিন
বাস্তবে কোন ঘটনা ঘটার আট বছর আগে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে বলে তিনি দাবি করেছেন। আলীর বিশ্বাস তার এই উদ্ভাবন ব্যবহার করে
ইরান সরকার সায়েন্স ফিকশন
সিনেমা ব্যাক টু দ্য ফিউচারের ঘটনা বাস্তবে ঘটাতে সক্ষম হবে। মাইকেল জে ফক্স অভিনীত ব্যাক টু দ্য ফিউচার সিনেমায় দেখা
যায় মার্টি মিকফ্লাই নামক এক
যুবক দ্রুতগামী গাড়িতে করে অতীত ও ভবিষ্যতে ভ্রমণ করছে। পাগলাটে এই বিজ্ঞানি
যন্ত্রের নাম দিয়েছেন ‘দ্য আরিয়ায়েক টাইম
ট্রাভেলিং মেশিন’। ইরানের সরকারী
সংস্থা কৌশলী উদ্ভাবন কেন্দ্রে (Centre for Strategic Invention) আলী তার এই যন্ত্রের নিবন্ধনও করেছে। যন্ত্রটি সক্রিয় করতে ব্যক্তির আঙুলের ছাপ প্রয়োজন হয় আর বাকি কাজটা
যন্ত্রটি কতগুলো জটিল গাণিতিক হিসাব নিকাশের উপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করে। উদ্ভাবক তার এই যন্ত্রটির সফলতার ব্যাপারে চরম আশাবাদী, তার মতে এটি ৯৮ ভাগ নির্ভুল ফলাফল দেয়। সে আরও বলে, এটা আপনাকে
ভবিষ্যতে নিয়ে যাবে না বরং ভবিষ্যতকে আপনার কাছে নিয়ে আসবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্সকে আলী বলেছেন,
তার আবিষ্কৃত এই যন্ত্র সহজেই কম্পিউটার এর বাক্সে এর মধ্যে বহন করা যাবে এবং ব্যবহারকারী তার জীবনের আগামী ৫ থেকে ৮ বছরের
ঘটনাসমূহের বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী জানতে পারবে। শুধু এই যন্ত্রই নয়, এর আগে আরও ১৭৯টি আবিষ্কারের পেটেন্ট করেছে আলী। এ রকম একটি যন্ত্র তৈরি করতে পারায় আলী নিঃসন্দেহে আনন্দিত। তার বর্ণনা অনুযায়ী এই যন্ত্র আবিষ্কার
করার চেষ্টারত সময়গুলো
খুব বেশি আনন্দঘন ছিল না বরং পরিবার ও বন্ধুদের কাছ থেকে নেতিবাচক ব্যবহারই পেয়েছেন। এ রকম একটি যন্ত্র তৈরি করে সে
সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে খেলার চেষ্টা করছে বলে পরিবারের লোকজন ও বন্ধু-বান্ধব তাকে তিরস্কার করেছে। তারপরও আবিষ্কারকের দৃষ্টিভঙ্গি সূদুরপ্রসারী! তিনি মনে করেন এই আবিস্কার ইরানের শত্রু দেশগুলোর উপর প্রাধান্য
বিস্তার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সে আরও বলেন, আমেরিকানরা লাখ লাখ ডলার খরচ করে টাইম
মেশিন বানানোর চেষ্টা
করছে, সেখানে আমি নিতান্ত কম খরচে টাইম মেশিন
বানিয়ে ফেলেছি। তার পরবর্তী
পরিকল্পনা হচ্ছে এই যন্ত্রের ব্যাপক উৎপাদনে যাওয়া। চাইনিজরা তার
আবিষ্কারকে নকল যেন না করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য টাইম মেশিনের নকশা এখনও সে প্রকাশ করেনি। তার ভাষায়, এ পর্যায়ে আমরা কোন প্রোটোটাইপ এখনও তৈরি করছি না তার
কারণ হলো চাইনিজরা এই আইডিয়া নকল করে রাতারাতি লাখ লাখ টাইম মেশিন তৈরি করবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)