Bangla News
Friday, January 24, 2020
Friday, January 2, 2015
বেনাপোল সীমান্তপথে ১৯৩ নারী ও শিশু পাচার ২০১৪ সালে
যশোরভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন ‘রাইটস যশোর’
একটি জরিপ পরিচালনার পর উদ্বেগজনক এ পরিসংখ্যান দিয়েছে।
২০১৪ সালে যশোরের বেনাপোলের বিভিন্ন
সীমান্ত এলাকা দিয়ে কমপক্ষে ১৯৩ নারী ও শিশুকে অবৈধভাবে পাচার করা হয়েছে ভারতে। ইউএনবি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বেনাপোলে ২৭১ জন হত্যাকা-ের শিকার হয়েছেন, যা ওই অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টির সুস্পষ্ট নির্দেশক। অবশ্য,
২০১৪ সালে ইরাক-সিরিয়ায় সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছে
বৃটেনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান
অবজারভেটরি ফর হিউম্যান
রাইটস এ পরিসংখ্যান দিয়েছে।
২০১৪ সালে সিরিয়ায় সহিংসতায় প্রাণ
হারিয়েছেন ৭৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে ৩৩,২৭৮ জনই বেসামরিক নাগরিক। প্রতিবেশী রাষ্ট্র
ইরাকে সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ হাজার ৫৩৮ জন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও অনলাইন আল-অ্যারাবিয়া। এদিকে গত বছরের তুলনায় ইরাকে নিহতের এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। ২০১৩ সালে সেখানে ৬
হাজার ৫২২ জন নিহত হয়েছিলেন। গতকাল দেশটির সরকারি এক পরিসংখ্যানে এ
তথ্য দেয়া হয়েছে। ইরাকের স্বাস্থ্য,
Wednesday, June 5, 2013
অনলাইনে স্বল্প সময়ে সহজ আয়
বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজারে
ব্যাপক পরিবর্তন আনছে ইন্টারনেটে শ্রম বিনিময় ও অনলাইনে কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। পিছিয়ে নেই
বাংলাদেশও। স্বল্প সময়ে সহজে আয়ের সুযোগ থাকাতেই ইল্যান্স, ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার নামে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে বাংলাদেশের তরুণ ফ্রিল্যান্সারদের
সংখ্যা বাড়ছে আর তাঁরা কাজও
করে যাচ্ছেন সমান দক্ষতায়। স্বল্প সময়ে কম পারিশ্রমিকে জটিল কাজের সমাধান দিচ্ছেন ফ্রিল্যান্সাররা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলো থেকে আসছে নানা কাজ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের অর্ডার দিয়ে দক্ষ শ্রমিক বাছাই করে স্বল্প সময়ে, কম পারিশ্রমিকে কাজ করিয়ে নিচ্ছে।
কিন্তু একটা সময় ছিল যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান বাদে কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভবই ছিল না। বর্তমানে অনলাইনে ক্লাউড পদ্ধতিতে খুব সহজেই বিশ্বের নানা প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীদের দিয়ে কম পারিশ্রমিকে কাজ করিয়ে নিতে পারছে প্রতিষ্ঠানগুলো। অনলাইনের এ শ্রমশক্তি নিয়ে সম্প্রতি ইকোনোমিস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
পারিশ্রমিক ও প্রতিযোগিতাই
বাড়িয়েছে জনপ্রিয়তা
খুব কম সময়ের নোটিশে ২২ মিনিটের একটি ভিডিও
ইংরেজি থেকে স্প্যানিশ ভাষায় অনুবাদ করে দেওয়ার অর্ডার দিয়ে একটি কাজের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল ওয়েবসাইটে। কাজের জন্য বাজেট ধরা হয়েছিল এক হাজার ৫০০
মার্কিন ডলার। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসের জনপ্রিয়
দুটি সাইট ইল্যান্স ডটকম ও
ওডেস্ক ডটকমে । এর বিপরীতে ইল্যান্সে ২৫ টি বিড জমা পড়েছিল। অর্থাত্, ২৫ জন
ফ্রিল্যান্সার ইল্যান্সে ওই কাজটির পাবার জন্য আবেদন করেন। ১৫ টি দেশের এই ২৫ জন ফ্রিল্যান্সারের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন নতুন ফ্রিল্যান্সার। ঘণ্টাপ্রতি কাজের
ক্ষেত্রে যে পারিশ্রমিক চাওয়া হয়েছিল দেশ ভেদে তার ভিন্নতা ছিল। এ ক্ষেত্রে কোনো ফ্রিল্যান্সার ঘণ্টাপ্রতি ১৬ ডলার আবেদন করেছিলেন আবার কেউ বা কাজের
বিনিময়ে পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন
ঘণ্টাপ্রতি ৩২ ডলার । কাজের অভিজ্ঞতা ও অঞ্চলভেদে এ পারিশ্রমিকের তারতম্য, দক্ষ
ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণেই অনলাইনভিত্তিক মার্কেটপ্লেসগুলোর জনপ্রিয়তা বেড়েছে।
বিস্তৃত হয়েছে শ্রমবাজার
২০১২ সালে অনলাইন শ্রম বাজার ১০০ কোটি মার্কিন
ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৪ সাল নাগাদ অনলাইন এ
শ্রম বাজার দ্বিগুণ হয়ে যাবে। ২০১৮ সাল নাগাদ অনলাইন শ্রমশক্তির বাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলেই
মার্কিন বাজার গবেষকেরা
ধারণা করছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী ওডেস্ক ও
ইল্যান্স
অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে সেরা প্রতিষ্ঠানের
দাবি করে ওডেস্ক ও ইল্যান্স। ২০১২ সালে তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি সাইটে
পাঁচ লাখেরও বেশি কাজ পোস্ট হয়েছে। ২০১২ সাল নাগাদ ওডেস্কে ৩০ লাখ ও
ইল্যান্সে ২৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ পাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। তবে ওডেস্ক ও ইল্যান্স নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী দাবি করলেও অর্থ ব্যয়ের হিসাবে ইল্যান্সের
চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওডেস্ক। ওডেস্কের তথ্য
অনুযায়ী, ২০১২ সালে শুধু ওডেস্কে সাড়ে তিন কোটি ঘণ্টা কাজ হয়েছে।
ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, উচ্চ পর্যায়ের ফ্রিল্যান্স কাজের বাজার নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ইল্যান্স, আর তাই ইবে এবং ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন সাধারণ পর্যায়ের কাজ করার কোনো চুক্তি করা হয় না। এর বিপরীত মত নিয়ে ওডেস্কের প্রধান নির্বাহী গ্যারি সোয়ারট বলেন, বড় আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা সৃজনশীলভাবে মেটাতে পারে বলেই ওডেস্কের অগ্রগতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে তৃতীয় অবস্থান হিসেবে ফ্রিল্যান্সার সাইটটিকে ধরা হয়। নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের হিসেবে এ সাইটটি অবশ্য শীর্ষে। এ সাইটটিতে ৭০ লাখ নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। তবে সাইটটিতে কাজের পারিশ্রমিক কম হওয়ায় এটি পিছিয়ে পড়ছে। ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ছাড়াও নতুন নতুন আরও বেশ কিছু সাইট দ্রুত অনলাইনে সামনে চলে আসছে।
ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, উচ্চ পর্যায়ের ফ্রিল্যান্স কাজের বাজার নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ইল্যান্স, আর তাই ইবে এবং ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন সাধারণ পর্যায়ের কাজ করার কোনো চুক্তি করা হয় না। এর বিপরীত মত নিয়ে ওডেস্কের প্রধান নির্বাহী গ্যারি সোয়ারট বলেন, বড় আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা সৃজনশীলভাবে মেটাতে পারে বলেই ওডেস্কের অগ্রগতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে তৃতীয় অবস্থান হিসেবে ফ্রিল্যান্সার সাইটটিকে ধরা হয়। নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের হিসেবে এ সাইটটি অবশ্য শীর্ষে। এ সাইটটিতে ৭০ লাখ নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। তবে সাইটটিতে কাজের পারিশ্রমিক কম হওয়ায় এটি পিছিয়ে পড়ছে। ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ছাড়াও নতুন নতুন আরও বেশ কিছু সাইট দ্রুত অনলাইনে সামনে চলে আসছে।
ব্যবসার কৌশল
শ্রমবাজার
তৈরি ও ব্যবসা কৌশলের
ক্ষেত্রেও অনলাইনের এ সাইটগুলো আলাদা। প্রতিটি কাজ সম্পন্ন হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি কেটে রাখে সাইটগুলো। পাশাপাশি কাজদাতা
ও কর্মীর মধ্যে রেটিং,
ফিডব্যাক পদ্ধতি যুক্ত করে কাজদাতা ও কর্মীর প্রোফাইলও
সমৃদ্ধ করে। তবে পারিশ্রমিক
নির্ধারণ ও পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় কাজ করে যাচ্ছে ওডেস্ক।
দক্ষতাই কাজ পাওয়ার একমাত্র
উপায়
অনলাইন শ্রমবাজারে কাজ করে অনেকেই নিজের
প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে ফেলেছেন। এ ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের এখন উদ্যোক্তা বলা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এমনকি বাংলাদেশেও গড়ে উঠেছে এ
ধরনের প্রতিষ্ঠান। তবে বিশ্ব শ্রমশক্তি
বিবর্তনের ক্ষেত্রে অনলাইনের এ শ্রম বিনিময় কী পরিবর্তন আনছে তা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান অ্যাসেঞ্চারের মতে, অনলাইন শ্রমবাজারে কর্মী দ্রুত বাড়ছে। এ বাজার এখন ক্রমশ বাড়ছে। এ বাজারে কাজ করতে গেলে সবচেয়ে বেশি দক্ষতা থাকতে হবে তথ্য ও
প্রযুক্তি ক্ষেত্রে। ২০১২ সালে ওডেস্ক
ও ইল্যান্সে সবচেয়ে বেশি কাজ পেয়েছেন ওয়েব প্রোগ্রামিং ও মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে দক্ষ কর্মীরা। তবে কাজের
অন্যান্য ক্ষেত্র দ্রুত
বাড়ছে। ২০০৭ সালে মূলত চারটি বিভাগে কাজ পেতেন কর্মীরা। ২০১২ সালে এসে ৩৫ টিরও
বেশি বিভাগে কাজ পাচ্ছেন তাঁরা। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, অনুবাদ-ভাষান্তর,
কপি তৈরি করার কাজগুলো দ্রুত বাড়ছে।
পারিশ্রমিক বৈষম্য
অনলাইনে
দক্ষ কর্মী বাছাই করে
পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কাজ দেওয়ার সুবিধা পান কাজদাতা। কাজ ঠিকভাবে
সম্পন্ন হলে কাজদাতা ও কর্মী পরস্পরকে মূল্যায়নের সুবিধা পান। যা তাঁদের অভিজ্ঞতা হিসেবে প্রোফাইলে যুক্ত হয়। পরবর্তী কাজ পেতেও
যা সহায়ক হয়। তবে অনলাইন শ্রম
বাজারের পারিশ্রমিক বৈষম্য নিয়ে সমালোচনাও নেহাত কম নয়। কম পারিশ্রমিকে উন্নত দেশের বায়াররা উন্নয়নশীল দেশগুলোর ফ্রিল্যান্সারদেরকে দিয়ে কাজ করিয়ে
নিচ্ছে। তবে ইল্যান্স ও ওডেস্ক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করে। তাদের মতে, কাজ শুধু একমুখী নয়। অর্থাত্
উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকেও এসব সাইটে কাজ পোস্ট করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের
ফ্রিল্যান্সাররাও আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
অভিজ্ঞতা পারিশ্রমিক বাড়ায়
অনেকে ফ্রিল্যান্সার কম পারিশ্রমিকে কাজ শুরু
করলেও এক বছরের মধ্যেই আবার তার কাজের ধরন অনুসারে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এক বছরের অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে গড়ে শতকরা ৬০ শতাংশ হারে
পারিশ্রমিক বাড়িয়ে নেওয়ার
ঘটনা ঘটে যা তিন বছরে ১৯০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
অনলাইন শ্রমবাজারই ভবিষ্যৎ
অ্যাসেঞ্চারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজদাতাকে শুধু স্থায়ী কর্মী নিয়োগ দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়াটা ঠিক হবে না বরং হাতের নাগালে থাকা অসংখ্য
দক্ষ ভারচুয়াল কর্মীকে
দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার সুযোগের কথাও ভাবতে হবে।
Collection from prothom alo
Sunday, May 26, 2013
সবার ওপরে প্রিয়াঙ্কা
কলকাতা প্রতিনিধি: অভিনয়ে কে কতটা এগিয়ে তার
চুলচেরা বিশ্লেষণ করবেন সমালোচকরা। কিন্তু অভিনেত্রীরা প্রায় সবাই পারিশ্রমিকের নিরিখে পৌঁছে গিয়েছেন
কোটির ঘরে। তবে বিদ্যা বালান যতই ফাটিয়ে অভিনয় করে একের পর এক পুরস্কার জিতে নিলেও তিনি পারিশ্রমিকের
হিসেবে অন্যদের থেকে অনেকটাই পিছনে। সবার ওপরে এখন অবস্থান ‘দোস্তানা’, ‘ফ্যাশন’ ও ‘জঞ্জির’ ছবির হিট নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। ‘দোস্তানা’ আর ‘ফ্যাশন’ হিট করার পর থেকে প্রিয়াঙ্কা এক একটি ছবির জন্য ৫ কোটি রুপি
নিতেন। কিন্তু ‘জঞ্জির’-এ অভিনয়ের জন্য একলাফে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে করেছেন ৯ কোটি রুপি। সদ্য মুক্তি পাওয়া
‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’ ছবিতে একটি আইটেম সংয়ের সঙ্গে নাচার জন্যই নিয়েছেন ৩ কোটি রুপি। প্রিয়াঙ্কার পরে ধনী
নায়িকার তালিকায় কারিনা কাপুর। বলিউডের শক্তিশালী এই অভিনেত্রী মধুর ভান্ডারকারের ‘হিরোইন’ ছবির জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন ৮ কোটি রুপি। আর একটি লেমনেড ব্র্যান্ডের
এনডোর্সমেন্ট ফি নিয়েছেন ৫ কোটি রুপি। বচ্চন বধূ ঐশ্বর্য রাই ১০টা হিট ছবির নায়িকা হলেও তিনি এখনও
তার পারিশ্রমিক ৬ কোটির ওপরে তুলতে পারেননি। রজনীকান্তের বিপরীতে ‘রোবোট’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ওই অর্থ নিয়েছিলেন। গত দু’বছরে অবশ্য ঐশ্বর্য কোন ছবিতে হাত দেননি সন্তানের জন্য। তবে চুটিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যের বিজ্ঞাপন
করে চলেছেন। সেখান থেকে তার রোজগার ৪ কোটির কাছাকাছি। অন্যদিকে ১৩টি হিট ছবির নায়িকা কাটরিনা কাইফ
‘জওয়ানি’ ছবি থেকে হৃদয়ের রানীর তকমা পেলেও তিনি ৪
কোটির ওপরে উঠতে পারেননি। এনডোর্সমেন্ট থেকেও তার আয় ৪ কোটি রুপির বেশি। আর বলিউডে অন্য সব
নায়িকার চেয়ে বেশি আয়কর দেন কাটরিনাই। তবে ৩ কোটি পারিশ্রমিকের তালিকায় এই মুহূর্তে অবস্থান তিনজন
নায়িকার। এরা হলেন বিদ্যা বালান, দীপিকা পাড়–কোন ও বিপাশা বসু। ‘ইশকিয়া’, ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ বা ‘কাহানি’র জন্য বিদ্যা বালান ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিলেও তিনি এখন থেকে তার পারিশ্রমিক
৭ কোটি করবেন বলে জানা গেছে। বিদ্যা জানিয়েছেন, কেউ যদি মনে
করেন আমার ৭ কোটি রুপি পাওয়া উচিত। তবে আমার নিতে আপত্তি নেই। মাত্র ২০০৭ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘ওম শান্তি’ ছবি করে যার বলিউডে পদার্পণ সেই দীপিকা এখনও
৩ কোটিতেই আটকে রয়েছেন। তবে তার হিট ছবির সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে তিনি যে আর ৩-এ আটকে থাকবেন না সেটা
আগাম বলেই দিয়েছেন বলিউডের বিশেষজ্ঞরা। এদিকে ৫০টি ছবির নায়িকা বঙ্গতনয়া বিপাশা বসু তার পারিশ্রমিক
৩ কোটিতেই রেখে দিয়েছেন। অন্যদিকে সোনম কাপুর, আনুশকা শর্মা বা সোনাক্ষি সিনহার মতো নায়িকারা অভিনয়ের বিচারে দ্রুত এগিয়ে গেলেও
তাদের পারিশ্রমিক এখনও দেড় কোটি রুপিতেই আটকে রয়েছে। তবে সোনাক্ষি সিনহার মধ্যে আগামী দিনে ‘দোস্তানা’,
‘ফ্যাশন’ বলিউডে ধনী নায়িকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন
অনেকেই।Wednesday, May 15, 2013
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে করণীয়
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কী করা উচিত—এ ব্যাপারে একটি তথ্য বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। পাঠকের জন্য সেটি
তুলে ধরা হলো:ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা, খরা, ভূমিধস, টর্নেডো, শৈত্যপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবছর ব্যাপক সম্পদ ও প্রাণহানি ঘটে। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে সম্পদ ও প্রাণহানির পরিমাণ ব্যাপক। এ বিষয়ে জনগণকে, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের অধিবাসীদের সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে জনগণের করণীয় বিষয়গুলো জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ও ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে তাত্পর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আগে করণীয়
• দুর্যোগের সময় কোন এলাকার লোক কোন আশ্রয়ে যাবে, গবাদিপশু কোথায় থাকবে, তা আগে ঠিক করে রাখুন এবং জায়গা চিনিয়ে রাখুন।
• বাড়িতে, গ্রামে, রাস্তায় ও বাঁধের ওপর গাছ লাগান।
• যথাসম্ভব উঁচু স্থানে শক্ত করে ঘর তৈরি করুন। পাকা ভিত্তির ওপর লোহার বা কাঠের পিলার এবং ফ্রেম দিয়ে তার ওপর ছাউনি দিন। ছাউনিতে টিন ব্যবহার না করা ভালো। কারণ ঝড়ের সময় টিন উড়ে মানুষ ও গবাদিপশু আহত করতে পারে। তবে শূন্য দশমিক ৫ মিলিমিটার পুরুত্ববিশিষ্ট টিন ও জেহুক ব্যবহার করা যেতে পারে।
• উঁচু জায়গায় টিউবওয়েল স্থাপন করুন, যাতে জলোচ্ছ্বাসের লোনা ও ময়লা পানি টিউবওয়েলে ঢুকতে না পারে।
• জেলে নৌকা, লঞ্চ ও ট্রলারে রেডিও রাখুন। সকাল, দুপুর ও বিকেলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস শোনার অভ্যাস করুন।
• সম্ভব হলে বাড়িতে কিছু প্রাথমিক চিকিত্সার সরঞ্জাম (ব্যান্ডেজ, ডেটল প্রভৃতি) রাখুন।
• জলোচ্ছ্বাসের পানির প্রকোপ থেকে রক্ষার নানারকম শস্যের বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিন।
• বাড়িতে ও রাস্তায় নারকেল, কলাগাছ, বাঁশ, তাল, কড়ই ও অন্যান্য শক্ত গাছপালা লাগান। এসব গাছ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বেগ কমিয়ে দেয়। ফলে মানুষ দুর্যোগের কবল থেকে বাঁচতে পারে।
• নারী-পুরুষ, ছেলেমেয়ে প্রত্যেকেরই সাঁতার শেখা উচিত।
• ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে বা অন্য আশ্রয়ে যাওয়ার সময় কী কী জরুরি জিনিস সঙ্গে নেওয়া যাবে এবং কী কী জিনিস মাটিতে পুঁতে রাখা হবে, তা ঠিক করে সেই অনুসারে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
• আর্থিক সামর্থ্য থাকলে ঘরের মধ্যে একটি পাকা গর্ত করুন। জলোচ্ছ্বাসের আগে এই পাকা গর্তের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখতে পারবেন।
• ডায়রিয়া মহামারির প্রতি সচেতন দৃষ্টি রাখতে হবে। শিশুদের ডায়রিয়া হলে কীভাবে খাবার স্যালাইন তৈরি করতে হবে, সে বিষয়ে পরিবারের সবাইকে প্রশিক্ষণ দেন।
• ঘূর্ণিঝড়ের মাসগুলোতে বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুটজাতীয় শুকনো খাবার রাখা ভালো।
• নোংরা পানি কীভাবে ফিটকারি বা ফিল্টার দ্বারা খাবার ও ব্যবহারের উপযোগী করা যায়, সে বিষয়ে নারীদের এবং আপনার পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেন।
• ঘূর্ণিঝড়ের পরে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করুন। বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ। মাটির বড় হাঁড়িতে বা ড্রামে পানি রেখে তার মুখ ভালোভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে, যাতে পোকা-মাকড়, ময়লা-আবর্জনা ঢুকতে না পারে।
পূর্বাভাস পাওয়ার পর দুর্যোগকালে করণীয়
• আপনার ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করুন। আরও মজবুত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন: মাটিতে খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধা।
• সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।
• বিপদ সংকেত পাওয়া মাত্র বাড়ির নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের আগে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পোঁছে দিতে প্রস্তুত হোন এবং অপসারণ নির্দেশের পরে সময় নষ্ট না করে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যান।
• বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় আগুন নিভিয়ে যাবেন।
• আপনার অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী যেমন—ডাল, চাল, দেশলাই, শুকনো কাঠ, পানি ফিটকিরি, চিনি, নিয়মিত ব্যবহূত ওষুধ, বইপত্র, ব্যান্ডেজ, তুলা, ওরস্যালাইন ইত্যাদি পানি নিরোধন পলিথিন ব্যাগে ভরে গর্তে রেখে ঢাকনা দিয়ে পুঁতে রাখুন।
• আপনার গরু-ছাগল নিকটস্থ উঁচু বাঁধে অথবা উঁচু স্থানে রাখুন। কোনো অবস্থায়ই গোয়ালঘরে বেঁধে রাখবেন না। কোনো উঁচু জায়গা না থাকলে ছেড়ে দিন, বাঁচার চেষ্টা করতে দিন।
• শক্ত গাছের সঙ্গে কয়েক গোছা লম্বা মোটা শক্ত রশি বেঁধে রাখুন। রশি ধরে অথবা রশির সঙ্গে নিজেকে বেঁধে রাখুন, যাতে প্রবল ঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নিতে না পারে।
• আশ্রয় নেওয়ার জন্য নির্ধারিত বাড়ির আশপাশে গাছের ডালপালা আসন্ন ঝড়ের আগেই কেটে রাখুন, যাতে ঝড়ে গাছগুলো ভেঙে বা উপড়ে না যায়।
• রেডিওতে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনতে থাকুন।
• দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখুন অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখুন।
• টিউবওয়েলের মাথা খুলে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং টিউবওয়েলের খোলা মুখ পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে আটকে রাখতে হবে, যাতে ময়লা বা লবণাক্ত পানি টিউবওয়েলের মধ্যে প্রবেশ না করতে পারে।
দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয়
• রাস্তাঘাটের ওপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন, যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।
• আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।
• অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।
• ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে, সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।
• ত্রাণের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সচেষ্ট হোন। ত্রাণের পরিবর্তে কাজ করুন। কাজের সুযোগ সৃষ্টি করুন। রিলিফ যেন মানুষকে কর্মবিমুখ না করে কাজে উত্সাহী করে, সেভাবে রিলিফ বিতরণ করতে হবে।
• দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকাজ শুরু করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছে দড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাঁকে উদ্ধারকাজে সাহায্য করা যায়।
• ঝড় একটু কমলেই ঘর থেকে বের হবেন না। পরে আরও প্রবল বেগে অন্যদিক থেকে ঝড় আসার আশঙ্কা বেশি থাকে।
• পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পান করুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
• নারী, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ত্রাণ বণ্টন (আলাদা লাইনে) করুন।
• দ্রুত উত্পাদনশীল ধান ও শাক-সবজির জন্য জমি প্রস্তুত করুন, বীজ সংগ্রহ করুন এবং কৃষিকাজ শুরু করুন, যাতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ফসল ঘরে আসে।
Subscribe to:
Posts (Atom)


