এখন অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করছেন। কিন্তু
কখনো কখনো এই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে
পড়তে হয় বিব্রতকর অবস্থায়। ধরুন, কেউ একজন বিব্রতকর একটি ছবি ট্যাগ করেছেন আপনাকে। ফেসবুকের
টাইমলাইনে চলে গেল বিব্রতকর ছবিটি। হলো শেয়ার। অনেকে
নানা মন্তব্য করতে থাকেন। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন কেউ কেউ।আবার এমন অনেক ছবি বা স্ট্যাটাস থাকে যা অনেকে সবাইকে দেখাতে চান না।আবার কোনো কারণে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড কেউ জেনে ফেলল। নিজের ফেসবুকের গোপনীয়তা (প্রাইভেসি) রক্ষার দায়িত্ব কিন্তু আপনার। আর তা আপনি করতেও পারেন।আপনার ফেসবুক যেন থাকে আপনার নিয়ন্ত্রণে।
ফেসবুকের নীতিমালা না জানা বা নীতিমালা না পড়েই অনেকে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে তা ব্যবহার করে। এটা জানতে হবে যে ফেসবুকের সদস্য হতে বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৩ বছর।নীতিমালায় লেখা আছে কীভাবে আপনার প্রাইভেসি রক্ষা করবেন বা কোনো কারণে হয়রানির শিকার হলে আপনার করণীয় কি।
অনেক সময় দেখা যায়, ব্যবহারকারীর সব তথ্য (প্রোফাইল ইনফো) তাঁর বন্ধু (ফেসবুক ফ্রেন্ড) না হয়েও সবাই দেখতে পায়। এসব সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই। তবে এর জন্য ব্যবহারকারীকে ফেসবুকে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বিভিন্ন ধরনের গোপনীয়তা রক্ষার সুবিধা রয়েছে। চাইলে ফেসবুকের বন্ধুদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে আলাদা তালিকায় রাখতে পারেন। যেমন: পরিবার, স্কুল, কলেজ বা অফিসের বন্ধুদের জন্য আলাদা আলাদা তালিকা করতে পারেন। এতে করে স্ট্যাটাস কিংবা ছবি শুধু যাঁদের দেখাতে চান, তাঁদেরই দেখাতে পারবেন। কাজটি করতে চাইলে ফেসবুকের Settings থেকে Privacy Settings-এ গিয়ে আপনি নির্ধারিত করে দিতে পারেন ছবিটি সবাই দেখবে (প্রাইভেট) নাকি বিশেষ কয়েকজন দেখবে। Settings-এর পাশে থাকা Privacy Shortcuts থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করে নিতে পারেন। যদি চান আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ কিছু ট্যাগ করলেও তা আপনার টাইমলাইনে দেখা যাবে না, তাহলে Privacy Settings-এ গিয়ে Timeline and Tagging Settings থেকে প্রয়োজনীয় অপশনগুলো বন্ধ করে দিন। এখান থেকে টাইমলাইনে থাকা ছবি কে দেখতে পারবেন, কে মন্তব্য করতে পারবেন—এসবও ঠিক করে দিতে পারবেন।
ফেসবুকের পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করাই ভালো। পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি