বৃটেনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান
অবজারভেটরি ফর হিউম্যান
রাইটস এ পরিসংখ্যান দিয়েছে।
২০১৪ সালে সিরিয়ায় সহিংসতায় প্রাণ
হারিয়েছেন ৭৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে ৩৩,২৭৮ জনই বেসামরিক নাগরিক। প্রতিবেশী রাষ্ট্র
ইরাকে সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ হাজার ৫৩৮ জন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও অনলাইন আল-অ্যারাবিয়া। এদিকে গত বছরের তুলনায় ইরাকে নিহতের এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। ২০১৩ সালে সেখানে ৬
হাজার ৫২২ জন নিহত হয়েছিলেন। গতকাল দেশটির সরকারি এক পরিসংখ্যানে এ
তথ্য দেয়া হয়েছে। ইরাকের স্বাস্থ্য,
স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে তথ্য সন্নিবেশিত করে পরিসংখ্যান তৈরি করেছে। এদিকে ২০০৭ সালে ইরাকে ১৭ হাজার ৯৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন। সিরিয়ায় ২০১১ সালে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করে এবং তা সহিংস আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। গত বছর ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ আনবার প্রদেশের রাজধানী রামাদির বিভিন্ন অংশে এবং পুরো ফাল্লুজায় নিয়ন্ত্রণ হারায় সরকার এবং এর মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী সূচনা হয় ২০১৪ সালের এবং বছরজুড়ে সহিংসতা অব্যাহত থাকে। ২০১৩ সালের শেষদিকে রামাদির কাছে মূলত সুন্নি মুসলমানদের সরকার বিরোধী বিক্ষোভ আন্দোলনের জন্য গড়ে তোলা তাঁবু গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা সহিংসতাকে উস্কে দেয় এবং তা ফাল্লুজায় ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীও ওই দুটি শহর থেকে সরে যায়। ফলে, সেখানে দখল প্রতিষ্ঠা করে সুন্নি বিদ্রোহীরা। এরপর ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিরা দখল করে নেয় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ইরাকের দ্বিতীয় শহর বলে পরিচিত মসুলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তারা এবং বাগদাদের দক্ষিণে এগোতে থাকে। রাজধানী বাগদাদও আইএসের হামলার ঝুঁকিতে ছিল। সে আশঙ্কা পরে সত্যি না হলেও, রাজধানীর উত্তর ও পশ্চিমের ৫টি প্রদেশে দখল প্রতিষ্ঠা করে। এদিকে আইএসকে দমনে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক জোটের সহায়তায় একের পর বিমান অভিযান পরিচালিত করে। গত আগস্টে সর্বশেষ পরিসংখ্যানে জাতিসংঘ বলেছিল, সিরিয়ায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯১ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিভিন্ন সংগঠনগুলোর দাবি, সিরিয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে তথ্য সন্নিবেশিত করে পরিসংখ্যান তৈরি করেছে। এদিকে ২০০৭ সালে ইরাকে ১৭ হাজার ৯৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন। সিরিয়ায় ২০১১ সালে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করে এবং তা সহিংস আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। গত বছর ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ আনবার প্রদেশের রাজধানী রামাদির বিভিন্ন অংশে এবং পুরো ফাল্লুজায় নিয়ন্ত্রণ হারায় সরকার এবং এর মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী সূচনা হয় ২০১৪ সালের এবং বছরজুড়ে সহিংসতা অব্যাহত থাকে। ২০১৩ সালের শেষদিকে রামাদির কাছে মূলত সুন্নি মুসলমানদের সরকার বিরোধী বিক্ষোভ আন্দোলনের জন্য গড়ে তোলা তাঁবু গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা সহিংসতাকে উস্কে দেয় এবং তা ফাল্লুজায় ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীও ওই দুটি শহর থেকে সরে যায়। ফলে, সেখানে দখল প্রতিষ্ঠা করে সুন্নি বিদ্রোহীরা। এরপর ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিরা দখল করে নেয় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ইরাকের দ্বিতীয় শহর বলে পরিচিত মসুলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তারা এবং বাগদাদের দক্ষিণে এগোতে থাকে। রাজধানী বাগদাদও আইএসের হামলার ঝুঁকিতে ছিল। সে আশঙ্কা পরে সত্যি না হলেও, রাজধানীর উত্তর ও পশ্চিমের ৫টি প্রদেশে দখল প্রতিষ্ঠা করে। এদিকে আইএসকে দমনে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক জোটের সহায়তায় একের পর বিমান অভিযান পরিচালিত করে। গত আগস্টে সর্বশেষ পরিসংখ্যানে জাতিসংঘ বলেছিল, সিরিয়ায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯১ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিভিন্ন সংগঠনগুলোর দাবি, সিরিয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

No comments:
Post a Comment